ঢাকা , শুক্রবার, ২৯ অগাস্ট ২০২৫ , ১৪ ভাদ্র ১৪৩২ বঙ্গাব্দ , ই-পেপার
সংবাদ শিরোনাম
বিএসএফ মহাপরিচালকের ব্যাখ্যায় দ্বিমত বিজিবির ডিজির ১৪ সদস্যের ওয়ার্কিং গ্রুপ গঠন মৎস্য ভবনের সামনে সড়ক অবরোধ প্রকৌশল শিক্ষার্থীদের শিশু ধর্ষণ আশঙ্কাজনক বৃদ্ধিতে গভীর উদ্বেগ সিলেটে পুকুর থেকে সাদাপাথর উদ্ধার ভোলাগঞ্জের পাথর লুট করে ১৫০০-২০০০ ব্যক্তি বাংলাভাষী লোকজনকে ‘বাংলাদেশি’ আখ্যা দিয়ে দেশছাড়া করতে দেব না- মমতা রোডম্যাপকে স্বাগত জানাই-জোনায়েদ সাকি ইসির রোডম্যাপে খুশি বিএনপি-মির্জা ফখরুল ফেব্রুয়ারিতে জাতীয় নির্বাচনের রোডম্যাপ ঘোষণা মেসির জোড়া গোলে ফাইনালে ইন্টার মায়ামি টাইব্রেকারে গ্রিমসবির কাছে হেরে বিদায় নিলো ম্যানইউ নতুন মাইলফলক স্পর্শ করলেন হামজা ‘মুসলিম হওয়ার কারণে অনেকে আমাকে টার্গেট করেন’ ভারতের ২৬ বিশ্বকাপ জেতার সুযোগ দেখছেন না শ্রীকান্ত নতুন ক্যাটাগোরিতে বেতন কত কমল বাবর-রিজওয়ানের? বড় ব্যবধানে হারলো সাকিবের ত্রিনবাগো নাইট রাইডার্স বাংলাদেশকে হারানো সহজ হবে না: স্কট এডওয়ার্ডস রাকসু নির্বাচনের তফসিল ৩য় বারের মতো পুনর্বিন্যস্ত পিছিয়েছে ভোট জকসু নির্বাচনে বয়সসীমা থাকছে না

যশোর ক্ষণিকা পিকনিক কর্নারে বছরে কোটি টাকা লুটপাট

  • আপলোড সময় : ১৪-০৭-২০২৫ ০৬:৫৩:২০ অপরাহ্ন
  • আপডেট সময় : ১৪-০৭-২০২৫ ০৬:৫৩:২০ অপরাহ্ন
যশোর ক্ষণিকা পিকনিক কর্নারে বছরে কোটি টাকা লুটপাট
যশোর থেকে শেখ দিনু আহমেদ
যশোর সড়ক বিভাগের অধীনস্থ সদরের রামনগর ক্ষণিকা পিকনিক কর্নার থেকে বছরে প্রায়  কোটি টাকা সরকারি কোষাগারে জমা না দিয়ে  কর্মকর্তারা লোপাট করছেন।
অনুসন্ধান করে জানা গেছে, যশোর সড়ক বিভাগের অধীনস্থ সদরের রামনগর ক্ষণিকা পিকনিক কর্নারের আওতায়  মোট ৭৫ বিঘা জমি রয়েছে। এর মধ্যে ২৪ বিঘা জমিতে পুকুর। সেখানে  মাছ চাষ করে বছরে প্রায় ৫০ লাখ টাকার মাছ বিক্রি করে সরকারি কোষাগারে এ টাকা জমা না দিয়ে কর্মকর্তারা তা আত্মসাত করেন।আর ২১বিঘা জমিতে আম,কাঠাল ও নারিকেলসহ গরু-ছাগল এবং হাঁস-মুরগির খামার করে এ খাত থেকে বছরে প্রায় ২০ লাখ টাকা আত্মসাৎ করা হচ্ছে। এছাড়া ৫ বিঘা জমিতে আবাসিক এলাকা এবং ২৫ বিঘা জমিতে কৃষি ফসল উৎপাদিত হয়। এ খাত থেকে কর্মকর্তারা বছরের  দুই মৌসুমে প্রায় ৩০ লাখ টাকা আত্মসাৎ করেন। তাছাড়া ক্ষণিকা পিকনিক কর্নারের বড় পুকুরে মাছ শিকারের  টিকিট বিক্রি করেও লাখ লাখ টাকা আত্মসাৎ করা হচ্ছে। অর্থাৎ বছরে রামনগর ক্ষণিকা পিকনিক কর্নার থেকে যশোর সড়ক বিভাগের কর্মকর্তারা প্রায় কোটি টাকারও বেশি অর্থ লোপাট করছেন।
ওই অফিসের একাধিক সূত্র জানিয়েছে, দীর্ঘ ১১ বছর ধরে এই বিপুল পরিমাণ অর্থ সরকারি কোষাগারে জমা না দিয়ে পরস্পর যোগসাজশে নির্বাহী প্রকৌশলীসহ অন্যান্য  কর্মকর্তারা লুটপাট করছেন। দুদক গোপনে অনুসন্ধান করলে এ তথ্যের সত্যতা মেলবে। এব্যাপারে যশোর সড়ক বিভাগের নির্বাহী প্রকৌশলী গোলাম কিবরিয়ার সাথে কথা বললে, তিনি এ অভিযোগের বিষয়টি অস্বীকার করেন।
 

নিউজটি আপডেট করেছেন : Dainik Janata

কমেন্ট বক্স
প্রতিবেদকের তথ্য