
ঢাকা রিপোর্টার্স ইউনিটিতে (ডিআরইউ) জাতির শ্রেষ্ঠ সন্তান মুক্তিযোদ্ধা, সাংবাদিক, আইনজীবী ও ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষকের ওপর হামলা এবং বিনা মামলায় গ্রেফতারের ঘটনায় তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদের ঝড় উঠেছে সর্বমহলে। গতকাল বৃহস্পতিবার বিকালে পৃথক পৃথক বিবৃতিতে বিভিন্ন রাজনৈতিক ও সংগঠনের পক্ষ থেকে এই নিন্দা ও প্রতিবাদ জানানো হয়েছে। এদিন পৃথক এক বিবৃতিতে বীরমুক্তিযোদ্ধা লতিফ সিদ্দিকীর ওপর পরিকল্পিত মব আক্রমণের ঘটনায় গভীর ক্ষোভ ও নিন্দা জানিয়েছে মুক্তিযুদ্ধভিত্তিক সংগঠন গৌরব ’৭১। সংগঠনের নেতৃবৃন্দ বলেন, এটি কেবল একজন মুক্তিযোদ্ধার ওপর আঘাত নয়; বরং মুক্তিযুদ্ধের চেতনা, গণতন্ত্র ও বাক স্বাধীনতার উপর বর্বর আঘাত। তারা অভিযোগ করেন, বর্তমান সরকারের আমলে ভিন্নমতাবলম্বীদের জন্য দেশ অনিরাপদ হয়ে পড়েছে। বিরোধী কণ্ঠরোধে মবসন্ত্রাস ও রাষ্ট্রীয় নিপীড়নকে প্রধান হাতিয়ার হিসেবে ব্যবহার করা হচ্ছে।
ঘটনার প্রেক্ষাপটে সংগঠনটি জানায়, ঢাকায় মঞ্চ-’৭১ এর বৈঠকের আগে মুক্তিযোদ্ধা, শিক্ষক ও সাংবাদিকদের অবরুদ্ধ করে হেনস্তা করা হয় এবং পরবর্তীতে মিথ্যা অভিযোগ সাজিয়ে অন্যায়ভাবে পুলিশের হাতে তুলে দেওয়া হয়। গৌরব ’৭১ মনে করে, এটি কোনো বিচ্ছিন্ন ঘটনা নয়; বরং সরকারের প্রত্যক্ষ মদদে স্বাধীনতাবিরোধী ও রাজাকারপন্থী শক্তির সামগ্রিক ষড়যন্ত্র। এ সময় গৌরব ’৭১ এর দাবি করেছেন-ঘটনায় জড়িত স্বাধীনতাবিরোধী ও জামায়াত-শিবিরপন্থী মবচক্রকে অবিলম্বে গ্রেফতার করতে হবে। মুক্তিযোদ্ধাদের নিরাপত্তা ও মর্যাদা নিশ্চিত করতে রাষ্ট্রকে কার্যকর ব্যবস্থা নিতে হবে। বাকস্বাধীনতা, মতপ্রকাশের অধিকার ও গণতান্ত্রিক পরিবেশ পুনঃপ্রতিষ্ঠা করতে হবে। মবসন্ত্রাস ও রাজনৈতিক সন্ত্রাস দমনে ‘জিরো টলারেন্স’ নীতি গ্রহণ করতে হবে। সংগঠনের সাধারণ সম্পাদক এফ এম শাহীন বলেন, যে দেশবিরোধী অশুভ শক্তি মুক্তিযোদ্ধাদের অপমান করে, বাকস্বাধীনতা কেড়ে নেয় ও গণতন্ত্র ধ্বংস করে, তারা বাংলার মাটিতে কোনোদিনও স্থান পাবে না। আমরা সাংস্কৃতিক, রাজনৈতিক ও সামাজিক সর্বস্তরে মুক্তিযুদ্ধবিরোধী শক্তি ও তাদের পৃষ্ঠপোষক সরকারের বিরুদ্ধে প্রতিরোধ গড়ে তুলব।
একই ঘটনায় তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানিয়েছে বাংলাদেশ মুক্তিযুদ্ধ মঞ্চ। বৃহস্পতিবার সংগঠনের সাধারণ সম্পাদক মো. আল মামুন স্বাক্ষরিত এক লিখিত প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে এই প্রতিবাদ জানানো হয়। প্রতিবাদ লিপিতে মুক্তিযুদ্ধ মঞ্চ অভিযোগ করে বলেছে, সরকারের নির্দেশে একাত্তরের পরাজিত অপশক্তি জামায়াত-শিবিরের মদদপুষ্ট মববাহিনী পরিকল্পিতভাবে ডিআরইউতে আয়োজিত “মঞ্চ ৭১”-এর আলোচনা সভায় প্রবীণ মুক্তিযোদ্ধা লতিফ সিদ্দিকী, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের আইন বিভাগের অধ্যাপক ড. শেখ হাফিজুর রহমান কার্জন, সাংবাদিক মঞ্জুরুল ইসলাম পান্নাসহ মুক্তিযোদ্ধা, সাংবাদিক, আইনজীবী ও শিক্ষকদের ওপর ন্যক্কারজনক সন্ত্রাসী হামলা চালিয়েছে। এতে বলা হয়, হামলার শিকার হওয়া ব্যক্তিদেরকেই পুলিশ বিনা মামলায় গ্রেফতার করেছে, যা সংবিধান ও মানবাধিকারের সুস্পষ্ট লঙ্ঘন। বিজ্ঞপ্তিতে দাবি করা হয়, দেশে আইনের শাসন, গণমাধ্যমের স্বাধীনতা, মানবাধিকার, বাকস্বাধীনতা ও বিচারব্যবস্থা কার্যত ভেঙে পড়েছে। রাষ্ট্রীয় মদদে জনগণের সাংবিধানিক অধিকার হরণ করা হচ্ছে। সংগঠনটি বলেছে, শিবিরের চিহ্নিত জঙ্গিরা পুলিশের সামনেই মুক্তিযোদ্ধাদের ওপর হামলা চালিয়েছে। অথচ হামলাকারীদের পরিবর্তে ভুক্তভোগীদের গ্রেফতার করা হয়েছে, যা মব সন্ত্রাসকে উসকে দিয়েছে। মুক্তিযুদ্ধ মঞ্চ অবিলম্বে গ্রেফতার হওয়া নাগরিক সমাজের নেতৃবৃন্দের নিঃশর্ত মুক্তি এবং গণমাধ্যমে প্রকাশিত ছবি ও ভিডিও ফুটেজের ভিত্তিতে হামলাকারীদের গ্রেফতার করে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি জানিয়েছে। সংগঠনটির মতে, মুক্তিযোদ্ধাদের ওপর ধারাবাহিক হামলা পাকিস্তানি এজেন্ডা বাস্তবায়নের অংশ, যা বাংলাদেশের জনগণ কখনোই মেনে নেবে না। রাষ্ট্রকে অবশ্যই এ দায় নিতে হবে এবং প্রতিটি হামলার বিচার এই বাংলার মাটিতে নিশ্চিত করতে হবে।
ঘটনার প্রেক্ষাপটে সংগঠনটি জানায়, ঢাকায় মঞ্চ-’৭১ এর বৈঠকের আগে মুক্তিযোদ্ধা, শিক্ষক ও সাংবাদিকদের অবরুদ্ধ করে হেনস্তা করা হয় এবং পরবর্তীতে মিথ্যা অভিযোগ সাজিয়ে অন্যায়ভাবে পুলিশের হাতে তুলে দেওয়া হয়। গৌরব ’৭১ মনে করে, এটি কোনো বিচ্ছিন্ন ঘটনা নয়; বরং সরকারের প্রত্যক্ষ মদদে স্বাধীনতাবিরোধী ও রাজাকারপন্থী শক্তির সামগ্রিক ষড়যন্ত্র। এ সময় গৌরব ’৭১ এর দাবি করেছেন-ঘটনায় জড়িত স্বাধীনতাবিরোধী ও জামায়াত-শিবিরপন্থী মবচক্রকে অবিলম্বে গ্রেফতার করতে হবে। মুক্তিযোদ্ধাদের নিরাপত্তা ও মর্যাদা নিশ্চিত করতে রাষ্ট্রকে কার্যকর ব্যবস্থা নিতে হবে। বাকস্বাধীনতা, মতপ্রকাশের অধিকার ও গণতান্ত্রিক পরিবেশ পুনঃপ্রতিষ্ঠা করতে হবে। মবসন্ত্রাস ও রাজনৈতিক সন্ত্রাস দমনে ‘জিরো টলারেন্স’ নীতি গ্রহণ করতে হবে। সংগঠনের সাধারণ সম্পাদক এফ এম শাহীন বলেন, যে দেশবিরোধী অশুভ শক্তি মুক্তিযোদ্ধাদের অপমান করে, বাকস্বাধীনতা কেড়ে নেয় ও গণতন্ত্র ধ্বংস করে, তারা বাংলার মাটিতে কোনোদিনও স্থান পাবে না। আমরা সাংস্কৃতিক, রাজনৈতিক ও সামাজিক সর্বস্তরে মুক্তিযুদ্ধবিরোধী শক্তি ও তাদের পৃষ্ঠপোষক সরকারের বিরুদ্ধে প্রতিরোধ গড়ে তুলব।
একই ঘটনায় তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানিয়েছে বাংলাদেশ মুক্তিযুদ্ধ মঞ্চ। বৃহস্পতিবার সংগঠনের সাধারণ সম্পাদক মো. আল মামুন স্বাক্ষরিত এক লিখিত প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে এই প্রতিবাদ জানানো হয়। প্রতিবাদ লিপিতে মুক্তিযুদ্ধ মঞ্চ অভিযোগ করে বলেছে, সরকারের নির্দেশে একাত্তরের পরাজিত অপশক্তি জামায়াত-শিবিরের মদদপুষ্ট মববাহিনী পরিকল্পিতভাবে ডিআরইউতে আয়োজিত “মঞ্চ ৭১”-এর আলোচনা সভায় প্রবীণ মুক্তিযোদ্ধা লতিফ সিদ্দিকী, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের আইন বিভাগের অধ্যাপক ড. শেখ হাফিজুর রহমান কার্জন, সাংবাদিক মঞ্জুরুল ইসলাম পান্নাসহ মুক্তিযোদ্ধা, সাংবাদিক, আইনজীবী ও শিক্ষকদের ওপর ন্যক্কারজনক সন্ত্রাসী হামলা চালিয়েছে। এতে বলা হয়, হামলার শিকার হওয়া ব্যক্তিদেরকেই পুলিশ বিনা মামলায় গ্রেফতার করেছে, যা সংবিধান ও মানবাধিকারের সুস্পষ্ট লঙ্ঘন। বিজ্ঞপ্তিতে দাবি করা হয়, দেশে আইনের শাসন, গণমাধ্যমের স্বাধীনতা, মানবাধিকার, বাকস্বাধীনতা ও বিচারব্যবস্থা কার্যত ভেঙে পড়েছে। রাষ্ট্রীয় মদদে জনগণের সাংবিধানিক অধিকার হরণ করা হচ্ছে। সংগঠনটি বলেছে, শিবিরের চিহ্নিত জঙ্গিরা পুলিশের সামনেই মুক্তিযোদ্ধাদের ওপর হামলা চালিয়েছে। অথচ হামলাকারীদের পরিবর্তে ভুক্তভোগীদের গ্রেফতার করা হয়েছে, যা মব সন্ত্রাসকে উসকে দিয়েছে। মুক্তিযুদ্ধ মঞ্চ অবিলম্বে গ্রেফতার হওয়া নাগরিক সমাজের নেতৃবৃন্দের নিঃশর্ত মুক্তি এবং গণমাধ্যমে প্রকাশিত ছবি ও ভিডিও ফুটেজের ভিত্তিতে হামলাকারীদের গ্রেফতার করে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি জানিয়েছে। সংগঠনটির মতে, মুক্তিযোদ্ধাদের ওপর ধারাবাহিক হামলা পাকিস্তানি এজেন্ডা বাস্তবায়নের অংশ, যা বাংলাদেশের জনগণ কখনোই মেনে নেবে না। রাষ্ট্রকে অবশ্যই এ দায় নিতে হবে এবং প্রতিটি হামলার বিচার এই বাংলার মাটিতে নিশ্চিত করতে হবে।